নির্বাচনকে সামনে রেখে মোবাইল ফোনের সিমকার্ড নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অনেক অপরাধে সিমকার্ড ব্যবহার হয় অন্যের নামে। নির্বাচনের আগেই সিমকার্ডের সংখ্যা কমানো হবে। এক ব্যক্তির নামে ১০টা থেকে ৫টা বা ৭টা, পরে ২টায় নিয়ে যাওয়া হবে।
সর্বশেষ
EN
জাতীয়
রাজনীতি
রাজধানী
দেশজুড়ে
অর্থনীতি
আন্তর্জাতিক
বিনোদন
খেলা
লাইফস্টাইল
আইন-বিচার
চাকরি
বিজ্ঞান
সোশ্যাল মিডিয়া
ধর্ম
আবহাওয়া
তথ্যপ্রযুক্তি
শিক্ষা
স্বাস্থ্য
মুক্তমত
প্রবাস
মিডিয়া
শিল্প-সাহিত্য
ইউটিউব
শেয়ারবাজার
ফিচার
জাতীয়
সিমের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার
আরটিভি নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১২:৩১ পিএম
শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনকে সামনে রেখে মোবাইল ফোনের সিমকার্ড নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অনেক অপরাধে সিমকার্ড ব্যবহার হয় অন্যের নামে। নির্বাচনের আগেই সিমকার্ডের সংখ্যা কমানো হবে। এক ব্যক্তির নামে ১০টা থেকে ৫টা বা ৭টা, পরে ২টায় নিয়ে যাওয়া হবে।
এদিকে সিম ব্যবহারে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। যেখানে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো।
রাস্তাঘাটে মোবাইল সিম কেনার সময় গ্রাহকের অজান্তেই বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। যা দিয়ে অবৈধভাবে নিবন্ধন হচ্ছে অতিরিক্ত সিম। অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পর্যালোচনায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, একদিনেই একজন গ্রাহক দুইয়ের বেশি সিম কিনছেন। যা অস্বাভাবিক।
অক্টোবরে বিটিআরসির সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যমতে দেশে বর্তমানে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ৮ কোটি ৫৯ লাখ, রবি আজিয়াটার ৫ কোটি ৭৫ লাখ, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৭৯ লাখ এবং টেলিটকের ৬৬ লাখ ৭০ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সিম ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯৯ লাখ। ২০২৩-এর অক্টোবরে ১৮ কোটি ৯৬ লাখ, ২০২২ সালে এ সময়ে ১৮ কোটি ১৬ লাখ, ২০২১ সালে ১৮ কোটি ১৩ লাখ। গত ১০ বছরে সিম ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়েছে সাড়ে পাঁচ কোটি। ২০১৫ সালে দেশে সিম ব্যবহারকারী গ্রাহক ছিলেন ১৩ কোটি ৩৭ লাখ। যেটি পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০২০-এ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ কোটিতে।
দেশে সিম ব্যবহারের অপব্যবহার ঠেকাতে সিম বন্ধ করে দেয়ার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তার অংশ হিসেবে গত আগস্টে এক ব্যক্তির নামে ১০টির অধিক সিম থাকলে অতিরিক্ত সিম ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে নিজ দায়িত্বে বাতিল (ডি-রেজিস্ট্রার) বা মালিকানা পরিবর্তনে নোটিস দেয় বিটিআরসি। সংস্থাটির একটি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে ২৬ কোটি ৬৩ লাখ নিবন্ধিত সিম রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি সিম সক্রিয় রয়েছে। এ সংখ্যা ২০ কোটির বেশি হবে। বাকি সিমগুলো নিবন্ধিত কিন্তু নিষ্ক্রিয়। গত আগস্ট পর্যন্ত সক্রিয় এক ব্যক্তির ১০টির বেশি সিম ছিল ৬৭ লাখ। গত তিন মাসে প্রায় ১৫ লাখ সিম গ্রাহক স্বেচ্ছায় বাতিল করেছেন। বাকি রয়েছে ৫০-৫৩ লাখ সিম। সেগুলো যেহেতু তিন মাসেও বাতিল করা হয়নি তাই সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের মাধ্যমে বাতিল করা হবে।
সর্বশেষ
EN
জাতীয়
রাজনীতি
রাজধানী
দেশজুড়ে
অর্থনীতি
আন্তর্জাতিক
বিনোদন
খেলা
লাইফস্টাইল
আইন-বিচার
চাকরি
বিজ্ঞান
সোশ্যাল মিডিয়া
ধর্ম
আবহাওয়া
তথ্যপ্রযুক্তি
শিক্ষা
স্বাস্থ্য
মুক্তমত
প্রবাস
মিডিয়া
শিল্প-সাহিত্য
ইউটিউব
শেয়ারবাজার
ফিচার
জাতীয়
সিমের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার
আরটিভি নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১২:৩১ পিএম
শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনকে সামনে রেখে মোবাইল ফোনের সিমকার্ড নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অনেক অপরাধে সিমকার্ড ব্যবহার হয় অন্যের নামে। নির্বাচনের আগেই সিমকার্ডের সংখ্যা কমানো হবে। এক ব্যক্তির নামে ১০টা থেকে ৫টা বা ৭টা, পরে ২টায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে সিম ব্যবহারে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। যেখানে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো।
রাস্তাঘাটে মোবাইল সিম কেনার সময় গ্রাহকের অজান্তেই বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। যা দিয়ে অবৈধভাবে নিবন্ধন হচ্ছে অতিরিক্ত সিম। অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পর্যালোচনায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, একদিনেই একজন গ্রাহক দুইয়ের বেশি সিম কিনছেন। যা অস্বাভাবিক।
বিজ্ঞাপন
Pause
Unmute
Loaded: 15.76%
Remaining Time -13:52
Close Player
অক্টোবরে বিটিআরসির সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যমতে দেশে বর্তমানে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ৮ কোটি ৫৯ লাখ, রবি আজিয়াটার ৫ কোটি ৭৫ লাখ, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৭৯ লাখ এবং টেলিটকের ৬৬ লাখ ৭০ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সিম ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯৯ লাখ। ২০২৩-এর অক্টোবরে ১৮ কোটি ৯৬ লাখ, ২০২২ সালে এ সময়ে ১৮ কোটি ১৬ লাখ, ২০২১ সালে ১৮ কোটি ১৩ লাখ। গত ১০ বছরে সিম ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়েছে সাড়ে পাঁচ কোটি। ২০১৫ সালে দেশে সিম ব্যবহারকারী গ্রাহক ছিলেন ১৩ কোটি ৩৭ লাখ। যেটি পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০২০-এ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ কোটিতে।
দেশে সিম ব্যবহারের অপব্যবহার ঠেকাতে সিম বন্ধ করে দেয়ার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তার অংশ হিসেবে গত আগস্টে এক ব্যক্তির নামে ১০টির অধিক সিম থাকলে অতিরিক্ত সিম ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে নিজ দায়িত্বে বাতিল (ডি-রেজিস্ট্রার) বা মালিকানা পরিবর্তনে নোটিস দেয় বিটিআরসি। সংস্থাটির একটি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে ২৬ কোটি ৬৩ লাখ নিবন্ধিত সিম রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি সিম সক্রিয় রয়েছে। এ সংখ্যা ২০ কোটির বেশি হবে। বাকি সিমগুলো নিবন্ধিত কিন্তু নিষ্ক্রিয়। গত আগস্ট পর্যন্ত সক্রিয় এক ব্যক্তির ১০টির বেশি সিম ছিল ৬৭ লাখ। গত তিন মাসে প্রায় ১৫ লাখ সিম গ্রাহক স্বেচ্ছায় বাতিল করেছেন। বাকি রয়েছে ৫০-৫৩ লাখ সিম। সেগুলো যেহেতু তিন মাসেও বাতিল করা হয়নি তাই সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের মাধ্যমে বাতিল করা হবে।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা তিন মাস সময় দিয়েছিলাম ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে, কিন্তু যেসব গ্রাহক এটি করেন নাই তাদের সক্রিয় সিম ডি-রেজিস্ট্রেশন করা হবে। কালকে (আজ) কি পরিমাণ সিম ডি-রেজিস্ট্রেশন হয়নি সেটা দেখে বাতিল করা হবে।
বিজ্ঞাপন
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, পহেলা জানুয়ারিতে যিনি নতুন করে সিম নিবন্ধন করতে যাবেন, তার নামে পাঁচটির বেশি সিম নিবন্ধন করা হবে না।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
ফেসবুকে লিংক শেয়ারকারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ
বিটিআরসির তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৫ গ্রাহকের হাতে আছে ১৮ কোটি ৮০ লাখের বেশি সিম। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের নামে আছে ১ থেকে ৫টি সিম, আর ৬ থেকে ১০টি সিম কার্ড রয়েছে এক কোটি ২০ লাখ গ্রাহকের কাছে।
এমদাদ উল বারী আরও বলেন, যার কাছে ১০টির বেশি সিম আছে, সে যখন সিম রিপ্লেস করতে যাবে, তাকে সিম সংখ্যা পাঁচটিতে নামাতে বলা হবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তে গ্রাহকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন, যাদের ভোটার আইডি নেই, তারা সিম কীভাবে নিবন্ধন করবে? আবার কেউ মনে করছেন, পরিবারের চার সদস্য থাকলে ৫টি করে সিমের মাধ্যমে মোট ২০টি সিমের সুযোগ আছে, যা যথেষ্ট।
তবে মোবাইল অপারেটররা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, বলা হচ্ছে, ব্যক্তির নামে সিম সংখ্যা কমালে অপরাধ কমে যাবে। কিন্তু বিষয়টা এত সরল নয়।
গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অফিসার তানভীর মোহাম্মদ বলেন, সিমের দিকে নয়, খাতের অন্যান্য সমস্যার দিকে নজর দেয়া উচিত।
এদিকে শুধুমাত্র সিমের সংখ্যা কমানোই কার্যকর উপায় নয় বলে মনে করেন রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম। তিনি বলেন, ‘অপরাধমূলক কর্মকান্ডের মূল কারণগুলোর প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র সিমের সংখ্যা সীমিত করা অপরাধ কমানোর কার্যকর উপায় নয়। অতীতের তথ্য-প্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখায় যে, একজন গ্রাহকের কাছে থাকা সিমের সংখ্যা ও অপরাধের হারের মধ্যে কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। সিমের সীমা কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে টেলিযোগাযোগ খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাবে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কারণ ছোট তিনটি অপারেটর মূলত গ্রাহকদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সিম সংযোগ প্রদান করে থাকে। এরফলে বাজারের নেতৃত্বদানকারী অপারেটর আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এ ধরনের নীতিগত অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করবে, তথ্যপ্রযুক্তি ও অনলাইনভিত্তিক সেবার প্রসার মন্থর করবে, ডিজিটাল বৈষম্য বাড়াবে এবং বহু বৈধ গ্রাহকের জন্য মারাত্মক অসুবিধা সৃষ্টি করবে—বিশেষ করে যারা পেশাগত, ব্যবসায়িক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবহারের জন্য একাধিক সিম ব্যবহার করেন। এ সিদ্ধান্ত দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও অনলাইন সুবিধার বিস্তারকে বহু বছর পিছিয়ে দেবে।
এদিকে আইওটি ডিভাইসের জন্য আলাদা নিবন্ধনের মাধ্যমে মোবাইল অপারেটরদের বিশেষ সিরিজের সিম বিক্রির অনুমোদন দেবে বিটিআরসি।
এর আগে সাইবার নিরাপত্তা, বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আগামী নির্বাচনের আগে সিম ব্যবহারের অপব্যবহার ঠেকাতে ব্যক্তিগত মোবাইলের সিমকার্ড ব্যবহার কমিয়ে আনতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি প্রতি ১০টির বেশি সিম ব্যবহার করতে পারবেন না কোনো গ্রাহক।
সিমের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার
byMd Imran
-
0
